একটি বাচ্চা ছেলে


এমন দিনে আকাশ থেকে বৃষ্টি কেন এল,
সকল দিনের শ্রান্তি, ভুলিয়ে দিয়ে গেল;
নীল আকাশের মুগ্ধতাকে প্রাণের ছোঁয়া দিয়ে,
টাপুর টাপুর শব্দে যেন ছন্দ দিয়ে গেল।

আমি বসে নদীর পাড়ে অবাক চোখে দেখি,
ওই দূর আকাশে উড়ছে স্বাধীন বর্ষাস্নাত পাখি।

হঠাৎ মনের জানলা খুলে বাচ্চা একটা ছেলে
এক লাফে সে পড়ল এসে স্মৃতিদেবীর ছলে;
মায়ের কোলে বসে, সে কৌতূহলী চোখে,
পেরিয়ে যেত সব বাধাকে, সদাই হাসিমুখে;
রূপকথাতে রাজকন্যের দুর্গতিটি দেখে
মারতে যেত রাক্ষসকে একাই হাসিমুখে;
রাত্রিবেলা মায়ের বুকে চুপটি করে শুয়ে
ঢলত পড়ে ঘুমের কোলে, নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে।

কোথায় গেল সেই ছেলেটা, (তার) বিপুল স্বপ্ন ভুলে,
হয়তো বা সে মরেই গেছে, কালের ইন্দ্রজালে;
স্বপ্নের সেই মায়া খেলাঘর, যা (সে) গড়েছিল আপন হাতে,
আজকে তা যে চাপা পড়েছে, কাজের অজুহাতে;
একাজ সেকাজ, নানান কাজের ঐন্দ্রজালিক চাপে,
রাক্ষসটাই জিতে গেছে, কালের অভিশাপে।।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *